Thursday, September 23, 2021

"ঈশ্বর ও ধর্ম"

"ঈশ্বর ও ধর্ম"
-পুলক সাঁপুই।

ধর্মের বোঝা চাপিয়ে মাথায়, পাপ-পূর্ণের থলি নিয়ে পিঠে,
মানুষ হয়ে জন্ম নিয়ে, মানবতা রাখে পদতলে।
কোনো এক যুগ হতে, এক গোষ্টি ভিন্ন গোষ্টি থেকে পৃথক বোঝাতে, বা-
এক ধারায় গোষ্ঠীকে রক্ষা করতে,
ঈশ্বরের নামে ভিন্ন ধর্মের উৎপত্তি; ভিন্ন দর্শনে ও মতবাদে।
আজ এই আধুনিক সমাজে, বিজ্ঞানের আলো যেথা মানুষের মাঝে,
ধর্মের প্যাঁচে মানুষ জড়িয়ে নিজেকে,
ধর্ম-ব্যবসায়ী ও রাজনীতির ফাঁদে আছে পড়ে সমাজের চাপে।
ধর্মীয় মাতাল এখন আলোতে না অন্ধকারে?
ধর্ম কি সত্যিই মানুষের প্রয়োজন হতে পারে?
মানুষ হয়ে মানবধর্ম কাকে বলে তবে?
দ্বন্দ্ব সেথায়! সংখ্যাগরিষ্ঠের  অত্যাচার সংখ্যালঘুদের পরে।
নিশান ওড়ায়, শান্তির ধর্মের নামে আত্মহংকারে।
ঈশ্বরের ইবাদত- এমনই কি সঠিক ধর্মের নামে?
খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ছাড়া আছে কি প্রয়োজন মানুষের?
ধর্মের নামে স্বার্থ খুঁজে কি লাভ পায় সমাজে?
আপন মনে ঈশ্বর রেখে মানবধর্মে পথ চলি মানুষ হয়ে বেঁচে।

 

Monday, September 20, 2021

"পাখি ও মেয়ে

"পাখি ও মেয়ে"
-পুলক সাঁপুই

চার দেওয়ালে বন্দি এক মেয়ে
স্বাধীনতার স্বপ্ন দ্যাখে -
কাটে না সময় একা ঘরে, তাই -
শখ করে এক পাখি পোষে,
রাখে খাঁচায়, দেয় দানা-পানি ভালোবেসে;
অহরহ কথা বলে, সময় পেলেই -
স্বাধীনতা কাকে বলে, বোঝায় পাখিটিকে,
বলে;- "সুখের নামে স্বার্থ খোঁজে মানুষ,
তাই, রয়েছি বন্দি হয়ে এ সংসারে,
ভালোবাসার নামে পাই অলঙ্কার, হৃদয়ের নাই সন্মান।
শুধু পালঙ্কে ভালোবাসার উচ্ছাস দেখি;
মৌনতা বাধ্য হেথায়, সুখের নামে অত্যাচারে।"
পাখিটি শোনে, কি বোঝে কি না বোঝে!?
শুধু ডানা ঝাপটায়, হয়তো বোঝাতে চায়  সে-
অন্যের সুখের স্বার্থে, কেন সে বন্দি খাঁচায়!!

 

Saturday, September 18, 2021

"ধর্ম ও কর্ম"

"ধর্ম ও কর্ম"
-পুলক সাঁপুই

ধর্ম একটা আফিং বা ড্রাগসের নেশার সমগোত্র।
মানবিকতাকে নষ্ট করার সহজ পন্থা ধর্মের বিষ।

সবদেশের রাজনীতির হাতিয়ার ধর্ম নয়,
যেখানে যতবেশি ধর্ম নিয়ে উন্মাদনা,সেখানেই ধর্ম ততবেশি হাতিয়ার।
আর যারা হাতিয়ার বানায় তারাই উন্মাদনা জিইয়ে রাখে সবসময়।
ধর্ম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যে রাজনীতি,সে রাজনৈতিক সকল মৃত্যুর দায় ধর্মের।

আমি ধর্মের রঙ বিশ্বাস করি না।
আমি বিশ্বাস করি মানুষ হয়ে বেঁচে মানবধর্ম পালন করতে।
কর্মের মাধ্যমে ধর্ম পালন।

ধর্ম মানুষের প্রধান বাঁচার উপায় নয়, কর্ম প্রধান।
জন্মের পর থেকেই কথা ফুটতে না ফুটতে ধার্মিক বানানোর রীতি চলে আসছে। তাই যারা রাজনীতি করে, যাদের জায়গা-জমি আছে, যারা খেলাধুলা করে, যারা বিয়ে বাড়িতে গোশতের টুকরা নিয়াও মারামারি খুনোখুনি করে সকলেই ধার্মিক। কারন;- ধর্ম আমাদের যুদ্ধ শিখিয়েছে। তাই আমরা গর্ব করে বলি, দুনিয়াতে শান্তি কায়েমের জন্য যুদ্ধ হয়েছে। তাই যুদ্ধ করে বাঁচতে চাই। যুদ্ধ করে সুখের আলো দেখতে চাই।হিন্দু, মুসলিম, গ্রিক ইত্যাদি ধর্মগ্রন্থে যুদ্ধের কাহিনী দেখে উৎসাহিত হই।
তাই ধর্ম বিস্তার ও শান্তির জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ ধার্মিকরা সংখ্যালঘু ধার্মিকদের উপর অত্যাচার করি। আমরা ধর্মগ্রন্থ থেকেই এই শিক্ষাই নিয়েছি।
ধর্ম গুরুরা আমাদের হয়তো কোন মানবিক আচার আচরণ শেখায় না, তাই হয়তো আমরা মানুষ হয়ে ও মানবিক নয়।
আমরাই ধর্মের নামে জাল-জুয়াচুরি, চালাকি করে বেড়াই। সত্যিই যদি মানুষ, -ধর্ম পালন না করে মানবিক ধর্ম পালন শিখতে পারতো, মুক্তমনা হতে পারতো,- তবে কি রাজনীতিতে এতো নোংরামি ও মারামারি হতো?? জায়গা-জমি নিয়ে মারামারি থাকতো?? খেলাধুলা, বিয়ে বাড়িতে গোশতের টুকরা নিয়াও মারামারি খুনোখুনি হতো কি??
ধর্ম আমাদের জন্মগতভাবে বিভ্রান্ত পথে চালনা করে ধর্মের ভয় দেখিয়ে ও ধর্মের লোভ দেখিয়ে।
ধর্ম আমাদের মানবিকতা শেখায় না। শেখায় লড়াই করা, ছিনিয়ে নেওয়া, অন্য ধর্মের মানুষকে ঘৃণা করা।
ছোট ছোট বয়স থেকেই ধর্ম শিক্ষা দেওয়া হয়, কিন্তু ওই বয়স থেকেই যদি মানবিক শিক্ষা দেওয়া হয়, তবে এমন অরাজকতা দেখতে হতো না তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে।
জাপান বা প্রথম বিশ্বের দেশগুলোতে মানবিক শিক্ষা দেওয়া হয় ছোট বয়স থেকেই।
যারা সুশিক্ষা দিবে তাদের ও সমপরিমাণ মানবিক হওয়ার প্রয়োজন।

মানুষকে ধার্মিক না হয়ে, মানুষ হয়ে মানবিক হওয়ার প্রয়োজন অনেক বেশি।
মানুষের জ্ঞান ও চেতনার প্রয়োজন....
ধার্মিকরা দেখি রাস্তায় রাস্তায় ধর্মীয় স্থানে ধার্মীকের সঙ সেজে ঘুরে বেড়াতে, তাদের মধ্যে না আছে জ্ঞান, না আছে চেতনা।

সত্যি বলতে কি, সারা দেশ ঘুরলে একটা সঠিক ধার্মিক মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না।
দুঃখের বিষয় প্রতিটা ধার্মিক তাদের নিজেদের ধর্মকে "মহান ধর্ম", "শান্তির ধর্ম", বলে শিয়ালের মতো হুক্কা-হুয়া রবে চিৎকার করছে,
     পৃথিবীর সমস্ত ধর্ম গ্রন্থে পৃথিবীর সমস্ত ভালো ভালো উপদেশ লেখা আছে....
তবুও প্রকৃত ধার্মিক মানুষ খোঁজ নিতে গেলে অণুবীক্ষণ যন্ত্র ও লজ্জা পাবে।
মানুষ হয়ে জন্ম নিয়ে, মানবতাবাদী হওয়া প্রয়োজন, ধার্মিক নয়।
সুবিধাবাদী মানুষেরা ধার্মিকতার ভান করে, পোশাক পরে থাকে,
মানবিক মানুষদের তার প্রয়োজন হয় না।
মানুষ হয়ে মানবিক পথে চলার জ্ঞান বা চেতনার প্রয়োজন।
সেই চেতনা বা জ্ঞান সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন।
ধর্মের সুড়সুড়ি দিয়ে ধার্মিক নয়।
মানবিকতা চাই।

মানুষ, মানুষ হয়ে জন্ম জন্মগ্রহণ করে, পরে ধার্মিক তৈরি হয় পরিবারের ও সমাজের চাপে।
মানুষ মানবিক মূল্যবোধের মধ্যেই মহান হতে পারে, ধার্মিক হয়ে নয়।
তাই, ধার্মিক নয় একটু মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে মানুষের সাথে মানুষ হয়ে ব্যবহার করলে, এবং নিজের অন্তরাত্মায় ঈশ্বরকে প্রতিষ্ঠা করে নিষ্ঠার সঙ্গে ভক্তি করলে মানবতার জয় হবে।
মানুষের মাঝেই ঈশ্বর বিদ্যমান। পাথর, কাঠ, মাটি, মূর্তিতে ঈশ্বর থাকে না।

 

Thursday, September 16, 2021

"সাফল্যের বুনিয়াদ"

"সাফল্যের বুনিয়াদ"
- পুলক সাঁপুই।

লক্ষ্য স্থির, পথ হোক ভিন্ন।।
দুঃখ-কষ্টের ভয়ে নয়, অভীষ্টে পৌঁছানো।।
সুখ স্বার্থ পূরণ নয়, সকলের মাঝে।।
অঙ্ক কষে নয়, পথ সহজাত পথে।।
ঈশ্বরে ধর্ম নয়, ধর্ম মানবতায়।।
ধর্মগৃহে নয়, ঈশ্বর অন্তরাত্মায়।।

 

Sunday, September 12, 2021

"ধার্মিক"

"ধার্মিক"
- পুলক সাঁপুই।

অন্ধ করে রঙের বিচার:-
"কোনটা হলুদ কোনটা নীল,
রঙধনুর রঙ ভুলে ভরা,
দেখলে করে গা ঘিনঘিন।"

ধার্মীক দেখায় অপর ধর্মের ত্রুটি
কৌতুকে মজে অন্যের রীতি,
আপন ধর্ম মহান চিৎকারে-
কুসংস্কারে কুপমন্ডুক।

ধার্মিকের অজ্ঞতায় সমাজ কলঙ্কিত
মানুষ জনমের পরে ও অমনুষ্যত্ব,
ধর্মের ধ্বজা ধরে, মানবতার টুঁটি চেপে ধরে
দুষ্ট মন নিয়ে বৃথা ঈশ্বর আরাধনা।

 

Friday, September 10, 2021

"ঈশ্বর"

"ঈশ্বর"
- পুলক সাঁপুই

ভিন্ন ভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে-
লক্ষ-কোটি মানুষের আর্তনাদে;
ঈশ্বর কোথায় থাকে?
কোন সে ধর্মগৃহে?
ধার্মিকের প্রার্থনা ঈশ্বর কেমনে শোনে?
মানুষকে দেখি তখন মানুষের সাথে,
ধর্ম নয়, মানবতার পথে।
ঈশ্বর আছে মানুষের অন্তর মাঝে।

 

Thursday, September 9, 2021

"প্রকৃতির সাথে"

"প্রকৃতির সাথে"
-পুলক সাঁপুই

স্বপ্ন দেখি ভবিষ্যতের পথে;
প্রলোভনের হাতছানি বাস্তবের সাথে,
গা ভাসিয়েছি; দৃঢ়তার সাথে নিদৃষ্ট মননে।
বাদল ঝরে ধরিত্রী বুকে ব্যাকুল তৃপ্তি পেতে।
শরতের উজ্জ্বল আকাশে স্বপ্ন থেকে বাস্তব ছবি আঁকি।
শিশির বিন্দু ঘাসের পরে মুক্ত দেখি-
সূর্য কিরণে হেমন্তের সকালে।
শীতের মধ্যাহ্নে রবির উত্তাপের ভালোবাসা প্রাণে মেখে চলেছি।
বসন্তের প্রেম রূপ নেয় প্রকৃতির ডাকে সফলতার।
গ্রীষ্মের রোদে তাপীয় সম্পাদন স্বপ্ন হতে বাস্তবে।
লক্ষ-কোটি তারার তিমিরে ধ্রুবতারা দেখি-
স্বপ্নের ভিত্তিতে বাস্তবের ইমারত গড়ি।

 

Tuesday, September 7, 2021

"অনুভূতি-১"

"প্রেম"

রাত্রির আঁধারে হারিয়ে যেতে চাই প্রেমে,
চাঁদের আলোতে রাত্রি যাপন-
মধুচন্দ্রিমা সম ভালোবেসে।
সখী; কার সাথে প্রেম করি বলো?
তুমিই আমার হৃদয়ের গান,
তোমাতে নির্ভর আমি; আছি চিরন্তন

 

Monday, September 6, 2021

"চাওয়া-পাওয়া"

"চাওয়া পাওয়া"
- পুলকসাঁপুই।

এই দুনিয়ায় প্রত্যেকের
চাওয়া-পাওয়ার প্রত্যাশায়
অংক কষা চলছে অবিরাম।

একে অপরের কাছে হরেক চাহিদায়,
পাওয়া না পাওয়ার সরূপে
সুখ বা বিষাদে ভরে মন।

দাতা যতটুকু দিতে পারে,
গ্রহীতা নিতে পারে ততটা
অধিক আশাতে বাড়িবে যাতনা।

গ্রহীতার প্রয়োজন যতটুকু চায়,
বাকিটা করিতে বর্জন
গ্রহণ করিতে ও থাকে সীমারেখা টানা।

চাওয়া-পাওয়ার বাসনা অধিকে বা কমে,
গরলে হইবে বাস জীবনধারা,
নিয়ন্ত্রণ রাখি আপনারে দানে অথবা গ্রহনে।

 

Saturday, September 4, 2021

"কথা"


"কথা"
- পুলক সাঁপুই।

মন্দির, মসজিদ, মাদ্রাসায় ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতন ঘটে চলেছে এখনো....
এক ধর্ম অন্য ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে এখনো....
সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের মানুষেরা লঘুসম্প্রদায়ের মানুষের উপর সুযোগ বুঝে অত্যাচার চালাচ্ছে এখনো...
প্রথম বিশ্বের দেশ গুলি বেশিরভাগ এখন মানবতাবাদী হয়ে নাস্তিক হতে চলেছে....
আর তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশ গুলির মধ্যে, শিক্ষার অভাব, ধর্ম ও কুসংস্কার আঁকড়ে পড়ে আছে.....
আর যারা বুদ্ধিজীবী মানুষ, তারা নিশ্চুপ হয়ে দেখে চলেছে, নানা অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তারা ক্লান্ত...।।

মানুষকে ধার্মিক না হয়ে, মানুষ হয়ে মানবিক হওয়ার প্রয়োজন অনেক বেশি।
মানুষের জ্ঞান ও চেতনার প্রয়োজন....
ধার্মিকরা দেখি রাস্তায় রাস্তায় ধর্মীয় স্থানে ধার্মীকের সঙ সেজে ঘুরে বেড়াতে, তাদের মধ্যে না আছে জ্ঞান, না আছে চেতনা।

সত্যি বলতে কি, সারা দেশ ঘুরলে একটা সঠিক ধার্মিক মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না।
দুঃখের বিষয় প্রতিটা ধার্মিক তাদের নিজেদের ধর্মকে "মহান ধর্ম", "শান্তির ধর্ম", বলে শিয়ালের মতো হুক্কা-হুয়া রবে চিৎকার করছে,
     পৃথিবীর সমস্ত ধর্ম গ্রন্থে পৃথিবীর সমস্ত ভালো ভালো উপদেশ লেখা আছে....
তবুও প্রকৃত ধার্মিক মানুষ খোঁজ নিতে গেলে অণুবীক্ষণ যন্ত্র ও লজ্জা পাবে।
মানুষ হয়ে জন্ম নিয়ে, মানবতাবাদী হওয়া প্রয়োজন, ধার্মিক নয়।
সুবিধাবাদী মানুষেরা ধার্মিকতার ভান করে, পোশাক পরে থাকে,
মানবিক মানুষদের তার প্রয়োজন হয় না।

ভালো গুণমানের লেখা ও ছবি আঁকা কোনো সৃষ্টিশীল কাজ সাধারণ মানুষের কাজ নয়।
তার জন্য সঠিক অনুশীলন ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন আছে।
প্রকৃত জ্ঞান, মানবিক চিন্তা ভাবনা ও সত্য মননের প্রয়োজন আছে।
সকল শিক্ষিত মানুষ হলেই, যেমন  সকলেই জ্ঞানী হয় না, তেমন অশিক্ষিত মানুষ ও জ্ঞানী হতে পারে।
প্রকৃত মানুষের প্রয়োজন সত্য অন্বেষণে...
কেউ কারোর ঠিকা নিয়ে রাখেনি যে "এ ওটা করতে পারবে, আর এ ওটা করতে পারবে না"
প্রত্যেক মানুষ তার জ্ঞান অনুযায়ী তাদের উন্মুক্ত করতে পারে...
একটা মানুষ তার জ্ঞানের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে যা তার কোনো অংশে কম ও বেশি হতে পারে না।
সে মানুষ যেমন তার অভিব্যক্তি ও তেমনই হবে।
--------
কোনো পুরুষ কি পতিতালয়ে মন খুঁজতে যায়?
অথবা কোন ধর্ষক কি কখনো মন খোঁজার চেষ্টা করে?
অথবা, শিশুদের উপরে যৌন অত্যাচার হয়, শরীরে না মনে?

ধর্ষণের জন্য মানুষ পোশাককে দায়ী কেন করে?
যাদের মন নিম্ন মানের হয় তাদের কাছে পোশাক কোনো কারণ নয়, কারন মন।।

মনকে প্রাধান্য দিলে শরীর ও প্রাধান্য পায়।
এমন মানুষ অনেক আছে, শরীর সংসারে থাকলে ও মনকে অন্য কোথাও গোপনে রেখেছে।

এখানে কোনো থিওরি নেই, কে কোনটাকে বেশি প্রাধান্য দেবে???

আধ্যাত্মিক মানুষেরা মনের প্রাধান্য অনেক বেশি করে দেখিয়েছেন।
এবং মনকে মানবিকতা ও সত্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে না পারলে শরীর নামের বস্তুটির মূল্য কানাকড়িও হবে না।
জন্ম বৃথা।

 


"ঈশ্বর ও আমি"

"ঈশ্বর ও আমি"
- পুলক সাঁপুই। 

ঈশ্বর প্রত্যেকের সমান অধিকার।
আমরা ঈশ্বরের বিশ্বাসে এগিয়ে চলেছি।তাই কথার মাঝে ঈশ্বর আসে। ঈশ্বর অনুভবে সর্বত্র। 

ঈশ্বরকে আমি ভয় করি না, কারন; ঈশ্বর শয়তান নয়,
ঈশ্বর দয়াময়, আমি যেমন। 

ঈশ্বরকে আমি শ্রদ্ধা করি, যেমন আমি নিজেকে শ্রদ্ধা করি। 

ঈশ্বর আমাকে পরীক্ষা নেয় না কখনোও। 
ঈশ্বরের পরীক্ষা নেওয়ার আগেই আমি উত্তীর্ণ হই।
কারণ; আমার কর্ম ক্ষমতার উপরে সম্পূর্ণ ভরসা থাকে। 

আমার অকৃতকার্য ও অসহায় অবস্থার পরিস্থিতি; ঈশ্বরের পরীক্ষা নেওয়া নয়; আমার ভুলে ও আমার দোষের মধ্যেই তা বলবৎ। 
ঈশ্বর আমাকে সেই দোষ-ত্রুটি থেকে শিক্ষা দেয় ভবিষ্যতের পথ এগিয়ে চলার জন্য। 

ঈশ্বরকে আমি লক্ষ লক্ষ প্রশ্ন করি, যে প্রশ্ন গুলো আমি নিজেকে নিজে করি। যে প্রশ্নের উত্তর নিজেকে নিজেই সমাধান করে আনন্দ পাই। ঈশ্বর তাতেই আনন্দ পায়। 

ঈশ্বরকে আমি বিশ্বাস করি, যেমন বিশ্বাস করি নিজের উপরে। তাই; আমাকে কেউ বিশ্বাসঘাতকতা করে নি। 

আমি কখনো ঠকিনি অন্যের কাছে।
জীবনের অঘটন গুলি ঘটেছে নিজের অজ্ঞতায় বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে। 
তাই, ঈশ্বর আমাকে সংশোধনের সুযোগ দেয় পরিস্থিতি ও বাস্তব সময়ের সাথে। 

ঈশ্বর আমাকে পথ দেখায়। যে পথ আমি নিজে থেকেই ঠিক করি। 

আমি ঈশ্বরের কাছে কিছুই চাই না, কারন;
ঈশ্বরের জীবন যাপন আমার সমতুল্য। 
আমি অনুভব করি ঈশ্বর আছে আমার অন্তরাত্মায়। 

তাই ঈশ্বরকে অন্ধভক্তিতে নয়।
ঈশ্বরকে অনুভব করি নিজের জ্ঞান ও চেতনায়। 

আমি নাই তো ঈশ্বর নাই। 
ঈশ্বর ছাড়া মুক্তি নাই।
ঈশ্বর আমার প্রেম-ভালোবাসা।
জনমে ঈশ্বর মরনে বিলীন।


 

"প্রেম ধারা"

"প্রেম ধারা" রেখেছি খুলে প্রেমাঙ্গনের দুয়ার তোমারই জন্য, এসো দেখো চেয়ে প্রকৃতির রূপ, রস, গন্ধ। পারলে কুড়িয়ে নতুবা ছিঁড়ে ...