"ঈশ্বর ও ধর্ম"
-পুলক সাঁপুই।
ধর্মের বোঝা চাপিয়ে মাথায়, পাপ-পূর্ণের থলি নিয়ে পিঠে,
মানুষ হয়ে জন্ম নিয়ে, মানবতা রাখে পদতলে।
কোনো এক যুগ হতে, এক গোষ্টি ভিন্ন গোষ্টি থেকে পৃথক বোঝাতে, বা-
এক ধারায় গোষ্ঠীকে রক্ষা করতে,
ঈশ্বরের নামে ভিন্ন ধর্মের উৎপত্তি; ভিন্ন দর্শনে ও মতবাদে।
আজ এই আধুনিক সমাজে, বিজ্ঞানের আলো যেথা মানুষের মাঝে,
ধর্মের প্যাঁচে মানুষ জড়িয়ে নিজেকে,
ধর্ম-ব্যবসায়ী ও রাজনীতির ফাঁদে আছে পড়ে সমাজের চাপে।
ধর্মীয় মাতাল এখন আলোতে না অন্ধকারে?
ধর্ম কি সত্যিই মানুষের প্রয়োজন হতে পারে?
মানুষ হয়ে মানবধর্ম কাকে বলে তবে?
দ্বন্দ্ব সেথায়! সংখ্যাগরিষ্ঠের অত্যাচার সংখ্যালঘুদের পরে।
নিশান ওড়ায়, শান্তির ধর্মের নামে আত্মহংকারে।
ঈশ্বরের ইবাদত- এমনই কি সঠিক ধর্মের নামে?
খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ছাড়া আছে কি প্রয়োজন মানুষের?
ধর্মের নামে স্বার্থ খুঁজে কি লাভ পায় সমাজে?
আপন মনে ঈশ্বর রেখে মানবধর্মে পথ চলি মানুষ হয়ে বেঁচে।
-পুলক সাঁপুই।
ধর্মের বোঝা চাপিয়ে মাথায়, পাপ-পূর্ণের থলি নিয়ে পিঠে,
মানুষ হয়ে জন্ম নিয়ে, মানবতা রাখে পদতলে।
কোনো এক যুগ হতে, এক গোষ্টি ভিন্ন গোষ্টি থেকে পৃথক বোঝাতে, বা-
এক ধারায় গোষ্ঠীকে রক্ষা করতে,
ঈশ্বরের নামে ভিন্ন ধর্মের উৎপত্তি; ভিন্ন দর্শনে ও মতবাদে।
আজ এই আধুনিক সমাজে, বিজ্ঞানের আলো যেথা মানুষের মাঝে,
ধর্মের প্যাঁচে মানুষ জড়িয়ে নিজেকে,
ধর্ম-ব্যবসায়ী ও রাজনীতির ফাঁদে আছে পড়ে সমাজের চাপে।
ধর্মীয় মাতাল এখন আলোতে না অন্ধকারে?
ধর্ম কি সত্যিই মানুষের প্রয়োজন হতে পারে?
মানুষ হয়ে মানবধর্ম কাকে বলে তবে?
দ্বন্দ্ব সেথায়! সংখ্যাগরিষ্ঠের অত্যাচার সংখ্যালঘুদের পরে।
নিশান ওড়ায়, শান্তির ধর্মের নামে আত্মহংকারে।
ঈশ্বরের ইবাদত- এমনই কি সঠিক ধর্মের নামে?
খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ছাড়া আছে কি প্রয়োজন মানুষের?
ধর্মের নামে স্বার্থ খুঁজে কি লাভ পায় সমাজে?
আপন মনে ঈশ্বর রেখে মানবধর্মে পথ চলি মানুষ হয়ে বেঁচে।








