Friday, July 29, 2022

পাগল ভৈরব - ২২

পাগল ভৈরব - ২২
- পুলক সাঁপুই।

পাগল ভৈরব গোরস্থানে -
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মৃত সৈনিকদের কবরের পাশে ঘুমিয়ে,
হটাৎ ঘুম ভাঙে, চেয়ে দেখে এক রমণী 
রজনীগন্ধার তোড়া নিয়ে সামনে দাঁড়িয়ে।
রমণী জানতে চায় সম্পর্ক কি ও তার ব্যাখ্যা,
পাগল চোখ বুজে, ঘাড় নেড়ে, গোঁফে হাত বোলাতে বোলাতে বলে -
"সম্পর্ক, - বেঁচে থাকা ও বাঁচিয়ে রাখার পরিপূরক,
একে অপরকে সসম্মানে প্রতিষ্টা করার অঙ্গীকার।
একত্রে বসবাস করলেই সঠিক সম্পর্ক বলে না।

সম্পর্ক - আকাশের মতো বিশাল, একে অপরের মনের ঘরে ছন্দে মেলে। 
সমুদ্রের মতো উত্তাল, একে অপরকে উদ্যমী করে।
বাতাসের মতো বহমান, একে অপরে মিলেমিশে একাকার।
তুষারের মতো প্রাঞ্জল, একে অপরকে ধারণ করে।
আগুনের মতো শক্তিধর, এক সাথে মিলে সৃজনশীল পথে এগিয়ে চলে।

আবার এমন ও হতে পারে, সম্পর্ক - 
আকাশে মতো বর্ণধারী সময়ের সাথে।
সমুদ্রের মতো ভয়ঙ্কর, প্রলয় এনে।
বাতাসের মতো বীভৎস, ঘূর্ণিঝড়ে।
তুষারের মতো হিম শীতল, যেথায় মৃত সতেজ রাখে।
আগুনে মতো, পুড়িয়ে ফেলে ভস্ম করে।"




 

Saturday, July 23, 2022

"পাগাল ভৈরব -২১"

পাগল ভৈরব - ২১
- পুলক সাঁপুই।

আকাশ বুঝি ভেঙে পড়ে মেঘলায়
ভিজে অন্ধকার, জল থৈ থৈ রাস্তাঘাট,
নিস্তব্ধ চারিধার, এক জীর্ণ ঘরের সামনে দাঁড়াই
দেখি, পাগল ভৈরব মাচায় বসে পা দোলায়
বিড়ি খায় আকাশ পানে চেয়ে।
আমি বলি; - ভৈরব! কোথায় থাকিস?
অনেক দিন দেখা পাইনা তোর;
পেলাম তোকে, একটা গল্প শোনা তবে,
ভৈরব শুরু করে; -
এই সমাজে সকলে দেখি কানা হয়ে ঘুরে বেড়ায়
একে অপরকে অন্ধ মনে করে,
তেমনই এক গল্প বলি তোকে।
এক লোভী ধার্মিক ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করে
একটি বর পেয়ে ধনী হয়ে সুখে শান্তিতে থাকতে।
ঈশ্বর বুদ্ধি করে বলে, তোর কৃপা অবশ্যই পুরন হবে,
তবে তুই যা চাইবি; তোর প্রতিবেশীর তাহা দ্বিগুণ বড়িবে।
লোভী ধার্মিক অনেক ভেবে প্রার্থনা করে; -
আমার এক চোখ কানা করে দাও হে ঈশ্বর।
"তাই হবে" - বলে ঈশ্বর প্রস্থান করে।
ধার্মিক মানুষ এমনই,
যে নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করে।
ঈশ্বর!? সে তো অলীক মায়াময়, থাকে ধর্মগৃহে পঙ্গু হয়ে।
দারিদ্র মানুষ বাঁচার প্রয়াসে ঘাম ঝরায়
ধনী ব্যক্তি ভিখারী উৎপন্ন করে,
ভিক্ষা দিয়ে স্বর্গে যাবার সাওয়াব চায়।
ওরে দ্যাখ; দ্যাখরে চেয়ে তোর ঐ দু চোখে
ঐ ঈশ্বর একচোখো বটে, অন্ধও ধর্মের আঁধারে।

 

Tuesday, July 5, 2022

"এই সময়"
- পুলক সাঁপুই।

আমি বিভোর মন তত্ত্বে তোমাকে সাথে নিয়ে
তখন তুমি কর্তার আলিঙ্গনে কামনায় আত্মহারা; -
পূর্ণতা পেতে আপনারে করে সমাপন।

নিশি রাতে তারা খসা দেখে হাসি পায়,
বুঝি; নাস্তিকের প্রেমিকা ঈশ্বরের কৃপা পায়, 
প্রতি রজনীতে রজনীগন্ধা সুবাস ছড়ায়।

খেলা ঘরের খেলা; চোখে চোখে নয় ইশারা
রইবে না আর তোমার অনিচ্ছা সেথায়
অথবা ভিন্ন কোনো না বলার বাহানা।

সময় বয়ে যায় প্রচ্ছন্নতার মাঝে 
রূপান্তর ঘটে চলেছে মানসিক চাঞ্চল্যে, 
যেমন; বাস্তবতার মুখোমুখি কল্পনায় ঈশ্বর এক সাথে জোট বেঁধে।


 

"প্রেম ধারা"

"প্রেম ধারা" রেখেছি খুলে প্রেমাঙ্গনের দুয়ার তোমারই জন্য, এসো দেখো চেয়ে প্রকৃতির রূপ, রস, গন্ধ। পারলে কুড়িয়ে নতুবা ছিঁড়ে ...