"স্বপ্নে রাজনৈতিক নেতার সাথে আলাপ"
-পুলক সাঁপুই।
কোনো এক ভোরে স্বপ্নে দেখা হয়েছিল এক রাজনৈতিক নেতার সাথে,
কিছু কথার বিনিময় হয় আমাদের দুজনায়।
"আমি উত্তম কেমন করে হতে পারি-এই দুনিয়ায়"- জিজ্ঞাসা করি তাঁকে,
তিনি হা-হা হেসে কয়,
আছে সহজ দুই উপায়।
প্রথমতঃ, তুমি দেখাও নিজেকে সাধু, বাকী দুনিয়ার সকল প্রতিদ্বন্দ্বীরা আছে কলঙ্কে ভরা,
বার বার বলো, বার বার বোঝাও সাধারণ মানুষের কাছে,
এ হলো ভীষন সহজ উপায়।
দ্বিতীয়তঃ, তুমি সত্যিই উত্তম যদি হও, বা চাও।
প্রয়জন নেই অন্যের ভালো মন্দের বিচার করার,
প্রতিটা মানুষই বিচার করে, নিজেই সঠিক এ দুনিয়ায়।
তাই তুমি শুধু নিজের চরকায় তেল দাও,
অন্যকে আপন ভেবে দিও না উপদেশ সেথায়।
ভয়ে ভয়ে দাড়ি চুলকাই, আবার প্রশ্ন করি তারে-
"সত্য ও মিথ্যার অবস্থান কোথায় হয়?"
আবার তার পুরানো হাসি, সাদা দাড়িতে হাত বুলায় আর বলে-
"মিথ্যাকে সহস্রবার সত্যের আঙ্গিকে বোঝাও, তা হবে সত্য সেথায়।
ঈশ্বর যেমন মিথ্যা হয়ে ও সত্য হয়ে মানব জীবনে রয়।
মন্দির, মসজিদ, গুরুদুয়ারা, বৌদ্ধ-জৈন মঠ, গীর্জা প্রভৃতি স্থানে
লক্ষ কটি টাকা ব্যয় করে মিথ্যা বা স্বার্থের পিছনে ঘোরে,
ফুটপাতে শিশু কাঁদে, খিদের যন্ত্রনায়, ঈশ্বর নেই,
ঈশ্বর নেই প্রমান হয়, তবুও মানুষ মানতে নারাজ।
সত্য ও মিথ্যা অবস্থান অন্তরাত্মায় শোভা পায়।
রাজনৈতিক নেতা, ধর্মব্যবসায়ী এমন লোকেদের অন্তরাত্মা বলে কিছু নাই,
তাই তারা লুণ্ঠনে ব্যস্ত হামেশাই।
সাধারণ মানুষ চিরকাল গড্ডালিকার প্রবাহে প্রবাহিত হয়-
চোখ থেকে ও অন্ধ, মজগ থেকে ও গোবর ময়, হাত-পা ধর্মের শিকলে বাঁধা, বন্দী সবাই।
মানুষ, অহং-এর গর্বে গর্বিত আজীব,
অন্যের বিচার করে খুশি থাকে,-
নিজেকে বিচারক ভেবে খুশি হয়।
ঘুম ভাঙে ফট করে, পটকা ফাটে বুঝি সামনে কোথাও।
উঠে বসি জল খাই ভাবি একি দেখিলাম? সত্যি!
এটা রাজনৈতিক নেতার আত্মকথা নাকি?!
পটকার ধোঁয়া ঢোকে ঘরময়,
কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান উল্লাসে এমনই হয়।
বড়োই কষ্ট হয়।
-পুলক সাঁপুই।
কোনো এক ভোরে স্বপ্নে দেখা হয়েছিল এক রাজনৈতিক নেতার সাথে,
কিছু কথার বিনিময় হয় আমাদের দুজনায়।
"আমি উত্তম কেমন করে হতে পারি-এই দুনিয়ায়"- জিজ্ঞাসা করি তাঁকে,
তিনি হা-হা হেসে কয়,
আছে সহজ দুই উপায়।
প্রথমতঃ, তুমি দেখাও নিজেকে সাধু, বাকী দুনিয়ার সকল প্রতিদ্বন্দ্বীরা আছে কলঙ্কে ভরা,
বার বার বলো, বার বার বোঝাও সাধারণ মানুষের কাছে,
এ হলো ভীষন সহজ উপায়।
দ্বিতীয়তঃ, তুমি সত্যিই উত্তম যদি হও, বা চাও।
প্রয়জন নেই অন্যের ভালো মন্দের বিচার করার,
প্রতিটা মানুষই বিচার করে, নিজেই সঠিক এ দুনিয়ায়।
তাই তুমি শুধু নিজের চরকায় তেল দাও,
অন্যকে আপন ভেবে দিও না উপদেশ সেথায়।
ভয়ে ভয়ে দাড়ি চুলকাই, আবার প্রশ্ন করি তারে-
"সত্য ও মিথ্যার অবস্থান কোথায় হয়?"
আবার তার পুরানো হাসি, সাদা দাড়িতে হাত বুলায় আর বলে-
"মিথ্যাকে সহস্রবার সত্যের আঙ্গিকে বোঝাও, তা হবে সত্য সেথায়।
ঈশ্বর যেমন মিথ্যা হয়ে ও সত্য হয়ে মানব জীবনে রয়।
মন্দির, মসজিদ, গুরুদুয়ারা, বৌদ্ধ-জৈন মঠ, গীর্জা প্রভৃতি স্থানে
লক্ষ কটি টাকা ব্যয় করে মিথ্যা বা স্বার্থের পিছনে ঘোরে,
ফুটপাতে শিশু কাঁদে, খিদের যন্ত্রনায়, ঈশ্বর নেই,
ঈশ্বর নেই প্রমান হয়, তবুও মানুষ মানতে নারাজ।
সত্য ও মিথ্যা অবস্থান অন্তরাত্মায় শোভা পায়।
রাজনৈতিক নেতা, ধর্মব্যবসায়ী এমন লোকেদের অন্তরাত্মা বলে কিছু নাই,
তাই তারা লুণ্ঠনে ব্যস্ত হামেশাই।
সাধারণ মানুষ চিরকাল গড্ডালিকার প্রবাহে প্রবাহিত হয়-
চোখ থেকে ও অন্ধ, মজগ থেকে ও গোবর ময়, হাত-পা ধর্মের শিকলে বাঁধা, বন্দী সবাই।
মানুষ, অহং-এর গর্বে গর্বিত আজীব,
অন্যের বিচার করে খুশি থাকে,-
নিজেকে বিচারক ভেবে খুশি হয়।
ঘুম ভাঙে ফট করে, পটকা ফাটে বুঝি সামনে কোথাও।
উঠে বসি জল খাই ভাবি একি দেখিলাম? সত্যি!
এটা রাজনৈতিক নেতার আত্মকথা নাকি?!
পটকার ধোঁয়া ঢোকে ঘরময়,
কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান উল্লাসে এমনই হয়।
বড়োই কষ্ট হয়।

No comments:
Post a Comment